সন্তান হলেই ডিভোর্স দিয়ে দেয়ার শর্ত ছিলো শাকিব খানের

0

শেষ পর্যন্ত যাবতীয় জল্পনা কল্পনার ওপর পানি ঢেলে ডিভোর্সেই স্থির হচ্ছেন দু’জন। অপু বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলে সেটাই জানা গেল। তিনি বলেন,‘আমি ডিভোর্সের বিষয়টি মেনে নিয়েছি। পারবারিক ব্যাপারগুলো জনসম্মুখে আনা ঠিক নয়। শাকিবই জনসম্মুখে নিয়ে এসেছেন। কখনো চিন্তা করেনি তার একটি সন্তান আছে। ভবিষ্যতে এর প্রভাব কী পড়বে তার উপর! তিনি নিজেকে ইতিবাচক দেখানোর জন্য সব সময় জনসম্মুখে বিষয়গুলো নিয়ে আসছেন। আর আমি আমার বচ্চার মুখের দিকে তাকিয়ে সব সময় চেয়েছি বিষয়গুলো বাইরের মানুষ কম জানুক।’

ডিভোর্স হয়ে গেলে সন্তানের ভরণপোষনের কী হবে? জানা যায় গত দু-মাস ধরে সন্তানের ভরণ-পোষণের জন্য গত দুই মাস ধরে সে টাকা দিচ্ছে না। এর সমাধান পেতে আপনি আইনের সহায়তা নেবেন কিনা? তিনি বলেন, ‘না, আমি আর কোথাও যাব না। পারিবারিক ইস্যু নিয়ে আমি আর কোথাও যেতে চাই না। যে মেয়ে দীর্ঘ ৮টি বছর নিজেকে লুকিয়ে রেখেছে। কিন্তু যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে তখন আমি বাচ্চাকে নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে এসেছি বাধ্য হয়ে। আমি কেন সেদিন এসেছিলাম তা আজ স্পষ্ট হয়ে গেছে। কারণ আমার বাচ্চার পরিচিতিটা দরকার ছিলো। একজন মা হিসেবে পৃথিবীর সব নারী এটা চাইবেন। আমিও চেয়েছি। সুতরাং আমি কোনো ভুল করিনি।’

আপনার কাছে কী বিয়ের সকল কাগজপত্র আছে? কাবিননামা নিয়ে যেসব জটিলতা আছে, তার কোন সমাধান? আদৌ বিয়ের সময় আমার কাবিন আইন অনুযায়ী শাকিব করেছে কিনা আমি জানি না। কাবিনের কাগজে টাকার অঙ্কটা বড় ছিল। সেই কাগজ শাকিবের কাছে আছে। আমার কাছ থেকে কাগজটা ওরা ছিনিয়ে নিয়েছে। আমি মুসলমান ধর্মের বিয়ের রীতি পুরোপুরি জানতাম না। ফলে শাকিব যেভাবে বলেছে আমি তাই করেছি। তবে আমি দেখেছি, কাবিনের কাগজে ১ কোটি ৭ লাখ টাকার দেনমোহরের কথা লেখা ছিলো। এখন শাকিব বলছে, ৭ লাখ টাকার নাকি দেনমোহর করা হয়েছে। ১ কোটি টাকা কোথায় হাওয়া হয়ে গেল আমি জানি না। যেহেতু আমার কাছে কাগজপত্র নেই ফলে আমি কিছু প্রমাণ করতে পারব না।’

তিনি আরো বলেন, ‘শাকিব খান আগেই আমাকে বলেছিলো, আমাদের সন্তান হলেই সে আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দেবে। তখন আমি বিষয়টিকে গুরুত্ব দেইনি। কথার কথা মনে করেছিলাম। কিন্তু আজ বুঝতে পারছি বিষয়টা কতটা সত্যি। ওর চরিত্র নিয়ে আর কিছু বলতে চাচ্ছি না। ভেবেছিলাম সেন্তান হলে ও শুধরে যাবে। কিন্তু ও কখনোই শুধরাবে না।’


এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। ebizctg.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে ebizctg.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply