রিজভীকে ওসামা বিন লাদেনের সাথে তুলনা!

0

বিএনপিতে রুহুল কবির রিজভীকে নিয়ে সিনিয়র নেতাদের ক্ষোভ ক্রমশঃ বাড়ছে। গত শনিবার বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় গুলশান দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে। সেখানে উপস্থিত হননি রুহুল কবির রিজভী। স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস জানতে চান ‘রিজভী কই’। উত্তরে একজন বলেন, ‘রিজভী তো পার্টি অফিস থেকেই বের হন না।’

এসময় ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন একটু রেগে গিয়েই বলেন, ‘কেন, রিজভী কত বড় নেতা? সে কি লাদেন নাকি? শুধু পার্টি অফিস থেকে বাণী দেবে? তাকে বলো কাল থেকে যেন সব কর্মসূচিতে থাকে। জেলের ভয়ে পার্টি অফিসে থেকে বড় বড় বক্তৃতাবাজী চলবে না।’

রিজভীকে নিয়ে দলের অসন্তোষ এটাই প্রথম নয়। কিছুদিন আগেও তাকে নিয়ে দলের সিনিয়র নেতাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিলো। দলীয় এক সভায় আরেক সিনিয়র নেতা দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে বর্ণবিদ্বেষী শব্দ ‘মালাউন’ ব্যবহার করে গালি দেয়ার কারনে সেদিন সভা পণ্ড হয়ে যায়।

দলকে চাঙা করতে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে মধ্যরাতে একের পর এক বৈঠক করছিলো বিএনপির স্থায়ী কমিটি। এটি জানুয়ারীর মাঝামাঝি সময়ের কথা। এমনই এক বৈঠকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা যতো যাই করিনা কেনো দলকে আগে সুসংগঠিত না করে এমন প্রচারণা চালানোটা বুমেরাং হবে দলের জন্য। মানুষ আমাদের কথা বিশ্বাস করবে না।’

এরপর গয়েশ্বর চন্দ্র বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দিকে তাকিয়ে তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দল বর্তমানে কিছু মানুষের পকেটস্থ হয়ে যাচ্ছে যা দলের জন্য একটি অশনি সংকেত।

গয়েশ্বরের এমন কথায় ক্ষিপ্ত ও কাণ্ডজ্ঞানশূন্য হয়ে তাকে ‘মালাউন’ বলে গালি দিয়ে বসেন রিজভী। মুহুর্তেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পুরো বৈঠকস্থল জুড়ে। এক পর্যায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হস্তক্ষেপে বিষটির সুরাহা হয়। তবে মিটিং শেষে বাইরে এ নিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের অনুসারীদের সাথে আরো বেশ কিছুক্ষণ অন্য নেতা কর্মীদের মধ্যে উতপ্ত বাক্য বিনিময় চলতে থাকে।


এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। ebizctg.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে ebizctg.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।