সৌদিতে ৫২ লক্ষাধিক নর-নারীর বিয়ে হচ্ছে না, যৌন বিকৃতির দিকে ঝুঁকছে সমাজ!

0

সৌদি আরবের পুনঃ জাগরণের মতো ইতিবাচক পরিবর্তনের মাঝেও আরেকটি ভয়াবহ বিষয় নিয়ে সরকার বেশ চিন্তিত। বিয়ের বয়স পেরিয়ে গেলেও সৌদি আরবে ৫২ লক্ষাধিক নারী-পুরুষের বিয়ে হচ্ছে না। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় সময় কাটছে তাদের পরিবারের সদস্যদের। মেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশটির অনেক পরিবারই উদ্বিগ্ন। ক্রমবর্ধমান হারে অবিবাহিত তরুণীর সংখ্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

জানা যায়, সৌদি আরবের মোট জনসংখ্যা ৩ কোটি ৮ লাখের বেশি। এর মধ্যে ৩০ লাখ ১ হাজার ২৬৪ জন পুরুষ এবং ২২ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৬ জন নারী অবিবাহিত রয়ে গেছে বয়স পেরিয়ে যাওয়ার পরও। দেশটিতে ৩৯ দশমিক ৯ বছর পেরিয়ে গেলে পুরুষদের এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৩৬ দশমিক ৪ বছর পেরোলে আর বিয়ে হয় না। এজন্য সৌদি আরবের বেশির ভাগ পরিবার মাধ্যমিক শিক্ষার পরপরই মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেয়। বয়সের পার্থক্যের কারণেও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে অনেক পুরুষ প্রত্যাখ্যানের শিকার হন।

আরও জানা যায়, দেশটিতে ক্রমবর্ধমান হারে অবিবাহিত তরুণীর সংখ্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। বিয়ের স্বাভাবিক বয়স পেরিয়ে গেছে এমন নারীর সংখ্যা ২০০৫ সালে ১৫ লাখ ছিল। ২০১৫ সালে এই সংখ্যা লাফিয়ে ৪০ লাখে পৌঁছেছিল। এর মানে ৩০ বছরের বেশি বয়সের দুই-তৃতীয়াংশ সৌদি তরুণী ১০ বছরে বিয়ে করেননি।

সমীক্ষা বলা হয়েছে, ৩৯ দশমিক ৯ বছর পেরিয়ে গেলে পুরুষদের এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৩৬ দশমিক ৪ বছর পেরোলে আর বিয়ে হয় না।

যৌন বিকৃতির দিকে ঝুঁকছে সমাজ:

অবিবাহিত তরুণ তরুণীরা তো আছেই, রক্ষণশীল সমাজের চাপে পড়ে বয়স্করাও বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। পুরুষ এবং নারী সমকামিতা বিশ্বব্যাপী বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত একটি মানবাচরণের বৈশিষ্ট্য বলে মেনে নেয়া হলেও আরব মুসলমান সমাজে একে অপরাধের দৃষ্টিতে দেখা হয়। যদিও হাজার বছর ধরে মুসলমান সমাজে সমকামিতা এবং শিশুকামিতার প্রচলন রয়েছে। আরব সমাজ সেসবের পাশাপাশি পশুকামিতা এবং পারিবারিক অভব্য যৌনাচারে (Incest)ও লিপ্ত হচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসব বিকৃত ও অসদাচরণ এতোটাই প্রকট আকার ধারন করেছে যে, মুসলমানদের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ধর্মীয় আচার- হজের মধ্যেও নারী নিগ্রহের মতো ঘৃণ্য ঘটনা ঘটছে অহরহ।


এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। ebizctg.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে ebizctg.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।